৩৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষার (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষার্থীদের সকাল নয়টার মধ্যে কেন্দ্রে ঢোকার নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। আগামীকাল শুক্রবার হতে যাওয়া এই পরীক্ষায় ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন।
ঢাকার ১২৩টি কেন্দ্রসহ ছয় বিভাগের ১৯০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি কেন্দ্রেই একজন করে নির্বাহী হাকিম উপস্থিত থাকবেন। পরীক্ষার কক্ষে কোনো রকম বইপত্র, মোবাইল, ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, হাতঘড়ি, পকেটঘড়িও সঙ্গে আনা যাবে না। প্রতিটি কক্ষেই ঘড়ি থাকবে।
পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের সকাল নয়টার আগেই কেন্দ্রে ঢুকতে হবে। নয়টার পর কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না। কারও কাছে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
৩৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সেট ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। এবারও একইভাবে সবার সামনে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করে ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান।
প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে ১ হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বিসিএসে অংশ নিতে গত ৩১ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করেছেন। ইতিমধ্যেই ৩৭তম বিসিএসের আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়েছে।
পরীক্ষার বিষয়ে পিএসসি থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তাতে সকাল ৮টা ২০ মিনিট থেকে ৮টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে। সকাল নয়টায় প্রার্থীদের উত্তরপত্র দেওয়া হবে। প্রার্থীদের তাতে নিজ জেলা ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বৃত্তগুলো বল পয়েন্ট দিয়ে ভরাট করতে হবে। এরপর প্রবেশপত্র সামনে রেখে হাজিরা তালিকায় সই করতে হবে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। এরপর পরিদর্শকেরা সবার উত্তরপত্র সংগ্রহ করবেন।
সুত্রঃ প্রথম আলো